সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক পদে চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত অথচ আটকে থাকা ১৪ হাজার ৩৮৪ জন প্রার্থীর নিয়োগ খুব শিগগিরই সম্পন্ন হতে যাচ্ছে। শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন নিশ্চিত করেছেন যে, নির্বাচিত কাউকেই বাদ দেওয়া হবে না, তবে নিয়োগের পর তাঁদের কিছু বিশেষ শর্ত মেনে চলতে হবে।

রোববার রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে জেলা প্রশাসক (ডিসি) সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা জানান। উল্লেখ্য, গত ৮ ফেব্রুয়ারি এই নিয়োগ পরীক্ষার চূড়ান্ত ফল প্রকাশিত হওয়ার পর নিয়োগপ্রক্রিয়া আটকে থাকায় প্রার্থীরা বেশ কিছুদিন ধরে আন্দোলন করে আসছিলেন।

নিয়োগের ক্ষেত্রে যেসব শর্ত মানতে হবে:

  • বাধ্যতামূলক পিটিআই প্রশিক্ষণ: নিয়োগ পাওয়ার পরই শিক্ষকদের প্রাথমিক শিক্ষক প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে (পিটিআই) প্রশিক্ষণের জন্য পাঠানো হবে। এই প্রশিক্ষণে উত্তীর্ণ হওয়া বাধ্যতামূলক; অকৃতকার্য হলে শিক্ষক হিসেবে তিনি আর দায়িত্ব পালন করতে পারবেন না।
  • দুই বছরের শিক্ষানবিশকাল: সরকারি বিধি মোতাবেক নিয়োগপ্রাপ্তদের প্রথম দুই বছর সফলতার সঙ্গে চাকরি সম্পন্ন করতে হবে। এই সময়কালের সার্বিক মূল্যায়নের ভিত্তিতেই তাঁদের চাকরি স্থায়ী করা হবে।

শিক্ষামন্ত্রী আরও স্পষ্ট করেন যে, শিক্ষকদের যোগ্যতায় কোনো ঘাটতি রয়েছে কি না, তা যাচাই করতেই এই শর্তগুলো জুড়ে দেওয়া হচ্ছে। এর পেছনে কোনো নেতিবাচক উদ্দেশ্য নেই, বরং দেশের প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়ন নিশ্চিত করাই সরকারের মূল লক্ষ্য।

শর্ত সাপেক্ষে ১৪ হাজার প্রাথমিক শিক্ষকের নিয়োগ শিগগিরই!