বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৯ম শিক্ষক নিয়োগ (এনটিআরসিএ) বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের প্রস্তুতি শুরু হয়েছে। এর প্রথম ও গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হিসেবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো থেকে প্রাপ্ত শূন্য পদের তথ্যের (ই-রিকুইজিশন) সঠিকতা যাচাই-বাছাইয়ের কাজ চলছে। ভুল চাহিদার কারণে অতীতে নিয়োগ সুপারিশ ও এমপিওভুক্তিতে প্রার্থীরা যে ভোগান্তির শিকার হয়েছেন, তা এড়াতেই এবার মাউশি (মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর) এবং আঞ্চলিক কার্যালয়গুলো সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা জারি করেছে।
নিচে মাউশি ও আঞ্চলিক কার্যালয় থেকে পাঠানো চিঠির মূল বিষয়গুলো সহজ ও সুন্দরভাবে উপস্থাপন করা হলো:
১. শূন্য পদ যাচাইয়ের মূল উদ্দেশ্য প্রতিষ্ঠানগুলো অনলাইনে যেসব শূন্য পদের চাহিদা দিয়েছে, সেগুলো সর্বশেষ জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা অনুযায়ী সম্পূর্ণ সঠিক কি না, তা পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে যাচাই করা। নিয়োগ ও এমপিও প্রক্রিয়ায় যেন কোনো ধরনের আইনি বা পদ্ধতিগত জটিলতা তৈরি না হয়, সেটি নিশ্চিত করাই এর প্রধান লক্ষ্য।
২. মাউশির প্রাথমিক পদক্ষেপগত ১১ মে মাউশির সহকারী পরিচালক-২ এস এম মোসলেম উদ্দিন স্বাক্ষরিত একটি বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে সব আঞ্চলিক কার্যালয়ে শূন্য পদের তালিকা সম্বলিত এক্সেল ফাইল (Excel Format) পাঠানো হয়েছে। আগামী ৩ কর্মদিবসের মধ্যে যাচাই শেষে তা মাউশিতে ফেরত পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
৩. ধাপে ধাপে যাচাই প্রক্রিয়া তথ্য যাচাইয়ের জন্য একটি সুস্পষ্ট চেইন অব কমান্ড বা ধারাবাহিক প্রক্রিয়া অনুসরণ করতে বলা হয়েছে:
৪. প্রতিষ্ঠান প্রধান ও কর্মকর্তাদের করণীয়
৫. সময়সীমা ও চূড়ান্ত জমাদানের নিয়ম
৯ম শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়াকে শতভাগ স্বচ্ছ, নির্ভুল ও প্রার্থী-বান্ধব করার জন্যই শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও মাউশি এই বহুমুখী যাচাই প্রক্রিয়া হাতে নিয়েছে। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে সঠিক তথ্য কেন্দ্রে পৌঁছানো নিশ্চিত করতেই এই সুশৃঙ্খল কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।