সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার ফলাফল (Primary Assistant Teacher Result) নিয়ে চাকরিপ্রার্থীদের মধ্যে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। আজ রোববার ফলাফল প্রকাশ হতে পারে—এমন একটি খবর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লেও, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর (DPE) সূত্রে জানা গেছে ভিন্ন তথ্য। আজ ফলাফল প্রকাশের কোনো সম্ভাবনা নেই।
প্রায় ১০ লাখ চাকরিপ্রার্থী এই ফলাফলের অপেক্ষায় রয়েছেন। তাদের বিভ্রান্তি দূর করতে সর্বশেষ আপডেট এবং অধিদপ্তরের বক্তব্য।
আজ সকাল থেকেই ফেসবুক এবং বিভিন্ন অনলাইন গ্রুপে একটি খবর ভাইরাল হয় যে, আজ দুপুরের পর অথবা সন্ধ্যায় প্রাথমিকে সহকারী শিক্ষক নিয়োগের ফল প্রকাশ করা হবে। কিছু অনির্ভরযোগ্য অনলাইন পোর্টাল দাবি করে যে ফলাফল প্রস্তুত।
এই ভিত্তিহীন খবরের ফলে পরীক্ষার্থীদের মধ্যে দিনভর ব্যাপক কৌতূহল ও অস্থিরতা তৈরি হয়। অনেকেই সত্যতা যাচাইয়ের জন্য বিভিন্ন দপ্তরে খোঁজ নিতে শুরু করেন। কিন্তু বাস্তবতা হলো, কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে এমন কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসেনি।
গুঞ্জনের সত্যতা যাচাই করতে আজ দুপুরে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সাথে যোগাযোগ করা হলে তারা বিষয়টি পরিষ্কার করেন।
অধিদপ্তরের ঊর্ধ্বতন এক কর্মকর্তা নিশ্চিত করেছেন:
"আজ ফল প্রকাশের খবরটি সম্পূর্ণ গুজব। ফলাফল প্রস্তুতের কাজ দ্রুতগতিতে চলছে, তবে ঠিক কবে তা প্রকাশ হবে, সেই সুনির্দিষ্ট তারিখ এখনো চূড়ান্ত হয়নি। পরীক্ষার্থীদের অনুরোধ, কোনো প্রকার গুজবে কান দেবেন না।"
এবারের নিয়োগ পরীক্ষায় ১৪ হাজার ৩৮৫টি শূন্য পদের বিপরীতে লড়ছেন ১০ লাখেরও বেশি প্রার্থী। একে তো বিশাল প্রতিযোগিতা, তার ওপর পরীক্ষার ফলাফল নিয়ে ধোঁয়াশা—সব মিলিয়ে প্রার্থীরা এখন চরম উৎকণ্ঠায় দিন কাটাচ্ছেন।
গত ৯ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত এই নিয়োগ পরীক্ষাটি শুরু থেকেই আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে ছিল। পরীক্ষা শুরুর মাত্র ১৫ মিনিটের মধ্যে প্রশ্নপত্র বাইরে চলে আসার অভিযোগ ওঠে। এছাড়াও 'কেন্দ্র কন্ট্র্যাক্ট' ও ডিজিটাল জালিয়াতির অভিযোগ তুলেছেন অনেক প্রার্থী।
প্রার্থীদের প্রধান অভিযোগসমূহ:
এতসব বিতর্কের মাঝেও প্রার্থীরা একটি স্বচ্ছ ও দ্রুত ফলাফলের প্রত্যাশা করছেন।
ফলাফল যেদিনই প্রকাশিত হোক, সবার আগে সঠিক রেজাল্ট পেতে নিচের পদ্ধতিগুলো অনুসরণ করুন: