বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষের (এনটিআরসিএ) ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধনের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের লক্ষ্যে সারা দেশের এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো থেকে শূন্যপদের তথ্য সংগ্রহের কাজ চলছে। এই কার্যক্রমে ইতোমধ্যে ৫৭ হাজারের বেশি শূন্য পদের তথ্য পেয়েছে এনটিআরসিএ। একইসঙ্গে প্রতিষ্ঠানগুলোর শূন্যপদের চাহিদা দেওয়ার সময়সীমা বাড়িয়ে আগামী ১৫ এপ্রিল পর্যন্ত করা হয়েছে।

এনটিআরসিএ’র একটি নির্ভরযোগ্য সূত্র জানিয়েছে, রোববার (১২ এপ্রিল) বিকেল ৪টা পর্যন্ত সারা দেশ থেকে মোট ৫৭ হাজার ৭০টির বেশি শূন্য পদের তথ্য অনলাইনে জমা পড়েছে। তথ্য সংগ্রহের কাজ চলমান থাকায় শূন্যপদের এই সংখ্যা সামনে আরও বৃদ্ধি পাবে।

এদিকে, রোববার এনটিআরসিএ’র প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, শূন্যপদের চাহিদা দেওয়ার পূর্বনির্ধারিত সময়সীমা ছিল ১২ এপ্রিল। তবে সার্বিক দিক বিবেচনা করে এই সময়সীমা বাড়িয়ে ১৫ এপ্রিল রাত ১২টা পর্যন্ত করা হয়েছে। নবম এনটিআরসিএ নিয়োগের লক্ষ্যে গত ৩১ মার্চ থেকে অনলাইনে এই ই-রিকুইজিশন বা শূন্যপদের চাহিদা সংগ্রহ কার্যক্রম শুরু হয়।

চাহিদা জমাদানের গুরুত্বপূর্ণ নিয়মাবলি:

  • ফি প্রদান: অনলাইনে শূন্যপদের চাহিদা সাবমিট করার পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ২০০ টাকা ফি জমা দিতে হবে।
  • শুধুমাত্র অনলাইন গ্রহণযোগ্য: এনটিআরসিএতে নিবন্ধিত সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে বাধ্যতামূলকভাবে অনলাইনে চাহিদা দিতে হবে। অফলাইনে, হার্ডকপিতে অথবা ই-মেইলের মাধ্যমে পাঠানো কোনো চাহিদা বা আগের কোনো বিজ্ঞপ্তির চাহিদা গ্রহণযোগ্য হবে না।
  • কঠোর হুঁশিয়ারি: এনটিআরসিএ’র আইন ২০০৫ ও পরিপত্র অনুযায়ী, এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শূন্যপদ থাকলে ই-রিকুইজিশন বা শূন্যপদের চাহিদা দেওয়া বাধ্যতামূলক। তথ্য গোপন করলে বা চাহিদা না দিলে প্রতিষ্ঠান প্রধানের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়াসহ প্রতিষ্ঠানের এমপিও বাতিল করা হতে পারে।

আগ্রহী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে নির্ধারিত বর্ধিত সময়ের (১৫ এপ্রিল) মধ্যেই অনলাইনে নিজেদের শূন্যপদের সঠিক তথ্য প্রদানের জন্য এনটিআরসিএ’র পক্ষ থেকে আহ্বান জানানো হয়েছে।

১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন: শূন্য পদ ৫৭ হাজার, সময় বাড়ল ১৫ এপ্রিল পর্যন্ত