ডিজিটাল অনলাইন শিক্ষা ব্যবস্থা... ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে সম্পূর্ণ অনলাইন শিক্ষা ব্যবস্থা দিচ্ছে Studyonlinebd.com । অষ্টম শ্রেনী থেকে বিসিএস পর্যন্ত সকল ছাত্র-ছাত্রীরা অনলাইনে পড়াশুনা করতে পারবে খুব সহজে । ৩৮ তম বিসিএস এবং প্রাইমারির পরীক্ষার প্রস্তুতি নেন আমাদের সাথেঃ আপনারা প্রতিদিন এক অধ্যায় করে পরে, রাত ৮.৩০ মিনিটে ঐ অধ্যায়ের পরীক্ষা দিবেন ।পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে Studyonlinebd.com রেজিস্ট্রেশন করুন।

৩৮তম বিসিএসের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের আগেই চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা ৩০ থেকে বাড়িয়ে ৩৫ বছরে উন্নতিকরণের দাবি জানিয়ে আগামী ১৪ জানুয়ারি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) অপরাজেয় বাংলায় সকাল ১১ টায় বিক্ষোভ কর্মসূচির ঘোষণা দেয়া হয়েছে।

 

বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র পরিষদের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আহ্বায়ক রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের ছাত্র মো. লোকমান হায়দার বুধবার ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্রে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিক সমিতির কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান।

 

সমাবেশকে কেন্দ্র করে দেয়া এক বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে, দক্ষিণ এশিয়ায়  মাস্টার্স ডিগ্রীধারীদের

মধ্যে সর্বোচ্চ ৪৭% বেকার বাংলাদেশে এবং সর্বনিম্ন ৭% শ্রীলঙ্কায়। এই বিপুল সংখ্যক শিক্ষিত বেকার নিয়ে জাতি কিভাবে উন্নত হবে তা আমাদের বোধগম্য নয়। শিক্ষার কোন বয়স নেই বলা হচ্ছে অথচ একজন শিক্ষার্থীর বয়স ত্রিশ বছর পার হলেই তাকে আর সরকারি/বেসরকারি কোন প্রতিষ্ঠানে চাকরির জন্য আবেদন করার সুযোগ দেয়া হচ্ছে না। 

 

এ সময় আরো জানানো হয়, বেসরকারি চাকরিতে প্রবেশের ক্ষেত্রে বয়সের সীমাবদ্ধতা বাংলাদেশ ছাড়া পৃথিবীর আর কোন দেশে আছে কিনা আমাদের জানা নেই। ৫৭ বছরের কর্মজীবী পৌড়কে যেখানে অবসরের বয়স বাড়িয়ে কাজ করার আরো সুযোগ তৈরি করে দেয়া হচ্ছে সেখানে একজন যৌবনদীপ্ত তরুণকে ৩০ বছরেই পৌড়ত্বের শিকল পড়িয়ে দেয়া হচ্ছে।

 

বিশ্বের বিভিন্ন দেশে চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা বাংলাদেশের থেকে বেশি। ভারতের পশ্চিমবঙ্গসহ বিভিন্ন প্রদেশে চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা ৩৮ থেকে ৪০ বছর, শ্রীলঙ্কায় ৪৫, ইন্দোনেশিয়ায় ৩৫, ইতালিতে ৩৫ বছর কোন কোন ক্ষেত্রে ৩৮, ফ্রান্সে ৪০,  ফিলিপাইন, তুরস্ক ও সুইডেনে যথাক্রমে সর্বনিম্ন ১৮, ১৮ ও ১৬ এবং সর্বোচ্চ অবসরের আগের দিন পর্যন্ত, দক্ষিণ আফ্রিকায় চাকরি প্রার্থীদের বয়স বাংলাদেশের সরকারি চাকরির মত সীমাবদ্ধ নেই। সেখানে চাকরি প্রার্থীদের বয়স ২১ হলে এবং প্রয়োজনীয় শিক্ষাগত যোগ্যতা থাকলে যে কোন বয়সে আবেদন করতে পারে।

 

আরো বলা হয়, রাশিয়া, হংকং, দক্ষিণ কোরিয়ার মত দেশে যোগ্যতা থাকলে অবসরের আগের দিনও যে কেউ সরকারি চাকরিতে প্রবেশ করতে পারে। যুক্তরাষ্ট্রে ফেডারেল গভর্নমেন্ট ও স্টেট গভর্নমেন্ট উভয় ক্ষেত্রে চাকরিতে প্রবেশের বয়স কমপক্ষে ২০ বছর এবং সর্বোচ্চ ৫৯ বছর। কানাডার ফেডারেল পাবলিক সার্ভিস এর ক্ষেত্রে কমপক্ষে ২০ বছর হতে হবে তবে ৬৫ বছরের ঊর্ধ্বে নয় এবং সিভিল সার্ভিসে সর্বনিম্ন ২০ বছর এবং সর্বোচ্চ ৬০ বছর পর্যন্ত সরকারি চাকরিতে আবেদন করা যায়।

 

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, গড় আয়ু যখন ৪৫ বছর ছিল তখন চাকরিতে প্রবেশের বয়স ছিল ২৭, যখন ৫০ ছাড়াল তখন প্রবেশের বয়স ৩০ হলো। যদিও বর্তমানে  বাংলাদেশের মানুষের গড় আয়ু ৭১ বছর। গড় আয়ুর ও কর্মক্ষমতা বৃদ্ধির কারণ দেখিয়ে চাকরিতে অবসরের বয়স ৫৭ থেকে ৫৯ করা হয়েছে। এর ফলে যে সকল সরকারি চাকরি জীবী অবসরে যেতেন সে সকল পদও খালি হয়নি। তাই বেকারের সংখ্যা দিন দিন বেরেই চলছে। আবারো শোনা যাচ্ছে সরকারি চাকরির অবসরের বয়স বাড়ানোর কথা।

 

সেখানে আরো বলা হয়, বাংলাদেশ পৃথিবীর একমাত্র দেশ যেখানে সরকারী চাকরিতে ৫৫% কোটার মাধ্যমে নিয়োগ হয়। কিন্তু সাধারণ শিক্ষার্থীদের কোন কোটা নাই। কোটাধারিরা চাকরিতেও কোটা পায়, আবার বয়সও তাদের শিথিলযোগ্য। উল্লেখ্য যে, মুক্তিযোদ্ধা, উপজাতি, জুডিশিয়াল ও ডাক্তার ৩২ ( ডাক্তারদের চাকরিতে আবেদনের বয়স ৩২ করা হয়েছিল এই বলে যে সাধারণ ছাত্রদের চেয়ে তাদের এক বছর বেশি পড়তে হয়, কিন্তু পরবর্তীতে সাধারণ ছাত্রদেরও অনার্সের কোর্স এক বছর বৃদ্ধি করে ৪ বছর করা হয়) বছর পর্যন্ত চাকরিতে আবেদন করতে পারে। নার্স-৩৬ এবং বিভাগীয় প্রার্থীরা ৪০ বছর পর্যন্ত চাকরিতে আবেদন করতে পারে।

jobs apply now

Like Our Education page

Advertise here
[X]
Advertise here